loading...
loading...

রফউল ইয়াদাইন রদ করতে গিয়ে লৎফর ফরাযীর কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা Download

Share Firends
Add

  • রফউল ইয়াদাইন রদ করতে গিয়ে লৎফর ফরাযীর কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা this video upload Tareq Bin Abdul Malik channel.This video count 1,258 views.This video length 3:34.You can Download রফউল ইয়াদাইন রদ করতে গিয়ে লৎফর ফরাযীর কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা video and mp3 or you can watch রফউল ইয়াদাইন রদ করতে গিয়ে লৎফর ফরাযীর কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা video and listen music. রফউল ইয়াদাইন রদ করতে গিয়ে লৎফর ফরাযীর কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা ৫ পেসার নিয়ে শ রীলঙ কা টেস ট স কোয়াড ঘোষনা ক রিকেটাররা ভাষা শহীদদের প রতি শ রদ দাঞ জলি জানান দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে চন্দননগর পুরনিগমে ব্যাপক রদ বদল করল তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব Piya Bina | Golpo Holeo Shotti | Soham | Mimi | Arijit Singh | Slideshow Video Song রফউল ইয়াদাইন রদ করতে গিয়ে লৎফর ফরাযীর কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা 13 Sura Ar Rad সুরা আর রদ শুধু বাংলা অনুবাধ দু'আ ছাড়া তাকদীর রদ হয় না।I ভিডিওটি একবার হলেও দেখবেন II Bangla Islamic Video II ফেকাহের কোন মাস'আলার ক্ষেত্রে সহীহ হাদিসকে রদ করা করা যাবে কি??? সূরা আর-রদ (Qur'an 013 Surah Ar Ra'd with Bengali Translation)
  • রফউল ইয়াদাইন রদ করতে গিয়ে লৎফর ফরাযীর কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা tags

Comments

  • MOJNU Mojnu
    MOJNU Mojnu 2018-06-26T11:14:29.000Z

    ফারাজির মাকে চুদি।মিথ্যা শয়তান।

  • Jatiyo kari H. Mawlana Abdullah Al-Mamun

    বাটপারী ছাড়েন মিঃ মালিক সাব,গোলামুর রহমান সাবের পুর্ণ বক্তব্য কোথায়। উনি বলছেন বুখারীর হাদিস সহীহ তবে সে আমল অন্য হাদিসের দ্বারা রহিত এটা দিলানা কেন বাটপার

  • hadayet ullah
    hadayet ullah 2016-06-02T10:03:32.000Z

    zodi aeta sothit hoy tahole prothombar hath odanoy haram.

  • Tareq Bin Abdul Malik
    Tareq Bin Abdul Malik 2016-06-01T21:46:16.000Z

    রফউল ইয়াদাইন রদ করতে গিয়ে লৎফর ফরাযীর কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা:br />দেওবন্দি বনাম দেওবন্দিঃbr />br />রফউল ইয়াদাইন রদ করতে গিয়ে লৎফর ফরাযীর কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা:br />দেওবন্দি বনাম দেওবন্দিঃbr />প্রথম কথা:br />তাফসীরে ইবনে আব্বাস মোটেই সাহাবী ইবনে আব্বাস রা: থেকে প্রমাণিত তাফসীরের কিতাব নয়। তাফসীর ইবন আব্বাস বা তানওয়ীর আলমিকবাস মিন তাফসীর ইবন আব্বাস (تنوير المقباس من تفسير بن عباس) নামক কিতাবের লেখক আবু তাহের মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব আল-ফায়রুযাবাদী (أبو طاهر محمد بن يعقوب الفيروزآبادى) (মৃত্যু ১৪১৪ খৃ/৮১৭ হি.)। এই তাফসীরকে সনদ সহকারে সাহাবী ইবনে আব্বাস রা: এর প্রতি সম্পৃক্ত করা হয়। কিন্তু এই সনদ দুর্বল এবং অনির্ভরযোগ্য। মুসলিম স্কলারগণ এই তাফসীরকে সম্পূর্ণরুপে বর্জন করেছেন।br />.br />কিতাবের প্রারম্ভেই লেখক যে সনদে ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে তাফসীরগুলি উল্লেখ করেছেন সেটি নিম্নরূপ -br />أخبرنَا عبد الله الثِّقَة بن الْمَأْمُون الْهَرَوِيّ قَالَ أخبرنَا أبي قَالَ أخبرنَا أَبُو عبد الله قَالَ أخبرنَا ابو عبيد الله مَحْمُود بن مُحَمَّد الرَّازِيّ قَالَ أخبرنَا عمار بن عبد الْمجِيد الْهَرَوِيّ قَالَ أخبرنَا عَليّ بن إِسْحَق السَّمرقَنْدِي عَن مُحَمَّد بن مَرْوَان عَن الْكَلْبِيّ عَن ابي صَالح عَن ابْن عَبَّاسbr />আবদুল্লাহ, বিশ্বাসযোগ্য বর্ণনাকারী, আল-মামুন আল-হারওয়ায়ী এর পুত্র আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন > পিতা > আবু আব্দুল্লাহ > আবু উবায়দুল্লাহ মাহমুদ ইবন মারওয়ান আল-রাযী > আম্মার ইবন আব্দ আল-মাজীদ আল-হারওয়ায়ী > আলী ইবন ইসহাক আল-সামরকান্দী > মুহাম্মাদ ইবন মারওয়ান > আল-কালবী > আবু সালিহ যিনি বর্ণনা করেছেন যে ইবনে আব্বাস বলেছেন। br />এই সনদে আছেন মুহাম্মাদ ইবনু মারওয়ান আস সুদ্দী আস সাগীর (محمد بن مروان السدي الصغير)। আসুন জেনে নেই এই রাবী সম্পর্কে । br />قال عبد السلام (1) بن عاصم عن جرير بن عبد الحميد: كذاب.[(1) الحرح والتعديل: 8 / الترجمة 364.]আব্দুল আসলাম বিন আসেম বলেন , মিথ্যুক।br />وَقَال عَباس الدُّورِيُّ (2) ، والغلابي (3) ، عَنْ يحيى بْن مَعِين: ليس ثقة.[(2) نفسه.(3) تاريخ الخطيب: 3 / 292.]br />আব্বাস আদদুররী ও আল-গালবী বলেন, ইয়াহইয়াহ ইবনে মাইন বলেন, তিনি সিকাহ নন।br />وَقَال مُحَمَّد بْن عَبد اللَّهِ بن نمير (4) : ليس بشيءٍ.[(4) نفسه.]br />মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ ইবনু নুমায়র বলেন, তিনি কিছুই না।br />وَقَال يعقوب بْن سفيان الفارسي (5) : ضعيف، غير يقة.[(5) المعرفة والتاريخ: 3 / 186.]br />ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফারসী বলেন, দাঈফ।br />وَقَال صَالِح (6) بْن مُحَمَّد الْبَغْدَادِيّ الحافظ: كان ضعيفا، وكان يضع الحديث (7) أيضا.[(6) تاريخ الخطيب: 3 / 392 - 393.(7) قوله: "الحديث "ليست في نسخة ابن المهندس.]br />সালেহ ইবনু মুহাম্মাদ আল-বাগদাদী আল-হাফেজ বলেনঃ তিনি দাঈফ , হাদীসের ক্ষেত্রে দাঈফ ।br />وَقَال أَبُو حاتم (8) : ذاهب الحديث، متروك الحديث، لا يكتب حديثه البتة.[(8) الجرح والتعديل: 8 / الترجمة 364.]br />আবু হাতেম বলেন, তিনি হাদীসের ক্ষেত্রে পরিত্যাজ্য, তার হাদীস লিখতে না বলতেন।br />وقَال البُخارِيُّ (9) : لا يكتب حديثه البتة (10) .[(9) ضعفاؤه الصغير، الترجمة 340.(10) بقية كلامه: "سكتوا عنه ".]br />ইমাম বুখারী তার হাদীস লিখতে না বলতেন।br />জর্ডান থেকে প্রকাশিত “তানভীর আল-মিকবাস মিন তাফসীর ইবনে আব্বাস” এর ইংলিশ অনুবাদের শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছেঃbr />“এই তাফসীরের ব্যাখ্যা যে ইবনে আব্বাস রা: এর নয় তাতে কোন সন্দেহ নেই। যে সব রাবীর মাধ্যমে এটি হস্তগত হয়েছে তা মুহাম্মদ ইবনে মারওয়ান পর্যন্ত পৌছেছে, তাঁর থেকে ইবনে আব্বাস পর্যন্ত সনদ হল: মুহাম্মাদ ইবনে মারওয়ান> আল-কালবী > আবূ সালীহ যেটিকে হাদীস বিশারদগণ মিথ্যুকদের সনদ (সিলসিলাতুল কাযীব) বলেছেন। কারন এই রাবীদের সনদ স্পষ্টত সন্দেহপূর্ণ ও অনির্ভযোগ্য।br />এমনকি কারো জন্য - ‘এটা যে ইবনে আব্বাস রা: এর তাফসীর নয়’ - তা প্রমাণ করার জন্য হাদীস বিশারদদের সনদ যাচাইয়ের পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের দরকার নেই। এই তাফসীরের বর্ণনাগুলোর মধ্যে বহু বিশৃঙ্খলতা/অসংলগ্নতা রয়েছে যাতে কারোই সন্দেহ থাকতে পারে না যে যিনি এটা লিখেছেন তিনি ইবনে আব্বাস রা: এর বহু শতাব্দী পরে বাস করেছেন।”br />[Guezzou, Mokrane 2007. Tanwir al-Miqbas min Tafsir Ibn Abbas. Royal Aal al-Bayt Institute. Amman, Jordan. Page v. a href="http://altafsir.com/Books/IbnAbbas.pdf">http://altafsir.com/Books/IbnAbbas.pdf/a>]br />br />বিলাল ফিলিপস হাফি. তার ‘উসূল আত-তাফসীর’-এ লিখেছেনঃbr />“তাফসীর ইবনে আব্বাস, - তানভীর আল-মিক্ববাস মিন তাফসীর ইবনে আব্বাস: এই তাফসীরটি মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব আল ফিরোযাবাদী রহ. (মৃত ৮১৭ হি:) সংকলন করেছেন। তিনি ছিলেন শাফেয়ী স্কলার এবং বিখ্যাত এরাবিক ডিকশনারী ‘আল-কামুস আল-মুহীত’ এর রচয়িতা। তাফসীরের বেশিরভাগ অংশই ব্যাখ্যামূলক বর্ণনা সমৃদ্ধ যা বিখ্যাত সাহাবী ও মুফাস্সির ইবনে আব্বাস রা: এর প্রতি সম্পৃক্ত করা হয়।br />এর সংকলক তাফসীরের প্রতিটি সেকশনের সনদ উল্লেখ করেছেন। সেকারনে, এই তাফসীরকে কে ‘তাফসীর বিররিওয়াহ’অর্থাৎ ‘রেওয়াত ভিত্তিক তাফসীরের’ অন্তর্ভূক্ত হিসেবে গণ্য করা হয়। br />যাহোক, ইবনে আব্বাস রা: পর্যন্ত এর সনদের রাবীদের নির্ভরযোগ্যতার উপরই এ তাফসীরটির গ্রহনযোগ্যতা কতটুকু তা নির্ভর করে। সনদের রাবী মুআবিয়াহ ইবনে সালিহ থেকে কায়েস ইবনে মুসলিম আল-কুফী পর্যন্ত সহীহ গণ্য করা হয়ে (উচ্চপর্যায়ের সহীহ) এবং সনদের ইবনে ইসহাক (হিস্টরিয়ান/ইতিহাসবিদ) হাসান; এরপরের ইসমাইল ইবনে আব্দুর রহমান আস-সুদ্দী আল-কাবীর এবং আব্দুল মালিক ইবনে জুরাইয রাবী হিসেবে সন্দেহপূর্ণ (দূর্বল)। এরপরের রাবীগণ হলেন আদ-দাহহাক ইবনে মাযাহিম আল-হিলালী, আতিয়াহ আল-আওফী, মুকাতিল ইবনে সুলায়মান আল-আযদী, এবং মুহাম্মাদ ইবনে আস-সায়ি’ব আল-কালাবী - তারা সকলেই জাল করার দোষে দোষী, সকলেই অগ্রহনযোগ্য। এই তথাকথিত ‘তাফসীরে ইবনে আব্বাস’ সাহাবী ইবনে আব্বাস থেকে যত বর্ণনা এসেছে তার প্রায় সকল সনদে ‘মুহাম্মাদ ইবনে আস-সায়ি’দ আল-কালাবী রয়েছে।br />সুতরাং, এই তাফসীরের অধিকাংশ অংশই নির্ভরশীল নয়, যদিও সাধারণদের নিকট এই তাফসীর জনপ্রিয়তা পেয়েছেন কিন্তু মুসলিম স্কলারগণ এটা সম্পূর্ণরূপে বর্জণ করেছেন।”br />[Usool At-Tafseer, Bilal Philips, Page 39. See Mabaahith fee 'Uloom al-Qur'an, pp.360-362 and at-Tafseer wa al-Mufassiroon, pp.81-83.]br />Islamweb সাইটে প্রকাশিত এক ফাতাওয়ায় বলা হয়েছে -br />“কিছু বিদ্বান এই তাফসীর বিখ্যাত ভাষাবিদ আল-ফাইরুজাবাদী যিনি ‘আল কামুস’ এর রচয়িতা, তার দ্বারা সংকলনের ব্যপারে আপত্তি জানিয়েছেন। বলা হয়েছে যে আল-ফাইরুজাবাদীরও পূর্বে এর একটা কপি পাওয়া গিয়েছিল। যাহোক, এই বইয়ের সকল ব্যাখ্যা ইবনে আব্বাস থেকে গ্রহণ করা হয়েছে মনে করা সঠিক নয়। কারণ সবকিছুই যা ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত হয়েছে তা প্রধাণত মুহাম্মাদ ইবনে মারওয়ান আস-সুদ্দী আস-সগীর, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আস-সায়িব আল কালবী থেকে, তিনি আবূ সালীহ থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। এই সনদ হল ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত সনদের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল সনদ যেটিকে ইমাম সূয়ূতী রহ. ‘মিথ্যুকদের বর্ণিত সনদ’ বলেছেন।br />মুহাম্মাদ হুসাইন আয-যাহাবী রহ. এ বইটি সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। এই বই সম্পর্কে তাঁর কথাগুলো এরূপ: “এটার উপর কমেন্ট করার জন্য এটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট যা ইবনে আবদ্‌ আল-হাকামের সনদে ইমাম শাফেয়ী রহ. থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, ইমাম শাফেয়ী রহ. বলেছেন, ‘ইবনে আব্বাস থেকে তাফসীরের ব্যপারে প্রায় একশ হাদীস ছাড়া কোন কিছুই বিশ্বাসযোগ্যভাবে বর্ণিত হয় নি’। এই বর্ণনা যা ইমাম শাফেয়ী রহ. থেকে বর্ণিত হয়েছে তা যদি সত্যি হয়ে থাকে, তবে তা নির্দেশ করছে জাল রেওয়াতকারীরা কি পরিমান সাংঘাতিক হতে পারে যে ইবনে আব্বাস রা: থেকে কি বিশাল সংখ্যক হাদীস তারা জাল করেছে। আর তাফসীরে ইবনে আববাসে বর্ণিত রেওয়াতগুলোর পরস্পর বিরোধী ও অসংলগ্ন কথাবার্তাই এটি যে ইবনে আব্বাস রা: থেকে বর্ণিত হয় নাই তার প্রমাণ বহন করে, - এর চেয়ে বড় আর কোন প্রমানের দরকার নাই।”br />[Islamweb Fatwa : a href="http://www.islamweb.net/emainpage/index.php">http://www.islamweb.net/emainpage/index.php/a>…]br />br />সুতরাং এই তথাকথিত ‘তাফসীরে ইবনে আব্বাস’ মোটেই বিশ্বাসযোগ্য সনদের সাথে সাহাবী ইবনে আব্বাস রা: থেকে বর্ণিত হয় নাই এবং এটা একটা অপ্রমাণিত, অনির্ভরশীল ও অগ্রহনযোগ্য তাফসীর।br />দ্বিতীয় কথা:br />কুরআন যার উপর নাযিল হয়েছে এবং যিনি কুরআনের ব্যাখ্যা সম্পর্কে সবচেয়ে ভাল জানতেন, সেই রাসুলুল্লাহ (সা:) স্বয়ং রাফউল ইয়াদাইন করতেন। আর এটা অসংখ্য হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। নিচে নমুনা স্বরূপ একটি হাদীস উল্লেখ করা হল -br />আহমদ ইবনু হাম্বল ........... মুহাম্মাদ ইবনু আমর হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ হুমায়েদ আস-সাইদী (রাঃ) কে দশজন সাহাবীর উপস্হিতিতে যাদের মধ্যে আবূ কাতাদা (রাঃ) ও ছিলেন- বলতে শুনেছিঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামায সম্পর্কে আপনাদের চেয়ে সমধিক অবগত আছি। তাঁরা বলেন, তা কিরূপে? আল্লাহর শপথ! আপনি তাঁর - অনুসরণের ও সাহচর্যের দিক দিয়ে আমাদের চাইতে অধিক অগ্রগামী নন। তিনি বলেন, হাঁ। অতঃপর তারা বলেন, এখন আপনি আপনার বক্তব্য পেশ করুন। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাযে দাঁড়াতেন তখন তিনি, তাঁর হস্তদ্বয় কাঁধ পর্যন্ত উঠিয়ে আল্লাহু আকবার বলে পূর্ণরূপে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন। তিনি কিরাআত পাঠের পর তাকবীর বলে রুকূতে যাওয়ার সময় আল্লাহু আক্বার বলে নিজের উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠাতেন। রুকূতে গিয়ে তিনি দুই হাতের তালু দ্বারা হাঁটুদ্বয় মজবুতভাবে ধরতেন। অতঃপর তিনি এমনভাবে রুকু করতেন যে, তাঁর মাথা পিঠের সাথে সমান্তরাল থাকত। অতঃপর তিনি মাথা উঠিয়ে “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে স্বীয় উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন। পুনরায় আল্লাহু আক্বার বলে তিনি সিজদায় গিয়ে উভয় বাহু স্বীয় পাজরের পাশ হতে দূরে সরিয়ে রাখতেন। অতঃপর সিজদা হতে মাথা উঠিয়ে বাম পা বিছিয়ে দিয়ে তার উপর বসতেন এবং সিজদার সময় পায়ের আংগুলগুলি নরম করে কিবলামুখী করে রাখতেন। তিনি আল্লাহু আক্বার বলে (দ্বিতীয়) সিজদা হতে উঠে বাম পা বিছিয়ে দিয়ে তার উপর সোজা হয়ে বসতেন। অতঃপর তিনি সর্বশেষ রাকাতে স্বীয় বাম পা ডান দিকে বের করে দিয়ে বাম পাশের পাছার উপর ভর করে বসতেন। তখন তারা সকলে বলেন, হাঁ আপনি ঠিক বলেছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই রূপেই নামায আদায় করতেন। [আবূ দাউদ, হাদীস নং ৭৩০, সহীহ] br />রাসূল (সা:) মৃত্যুর পর সাহাবীরা কিভাবে সালাত আদায় করতেন, তার বাস্তব চিত্রও উক্ত হাদীসে ফুটে উঠেছে।br />..br />তৃতীয় কথা: br />মজার বিষয় হলো যে সাহাবীর অপ্রমাণিত তাফসীর দিয়ে তারা রফউল ইয়াদাইন করাকে সালাতে খুশু খুশু বিনষ্ট হওয়ার দলীল দেন, সেই সাহাবী ইবনে আব্বাস রা: নিজেও রাফউল ইয়াদায়ান করতেন।br />আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি আবূ আমির থেকে, তিনি ইবরাহীম বিন ত্বাহমান থেকে, তিনি আবুয যুবায়র থেকে, তিনি ত্বাউস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, “ইবনু আব্বাস যখন সালাতের জন্য দাঁড়াতেন তখন তার দু’কান বরাবর রাফউল ইয়াদাইন করতেন। যখন তিনি রুকূ’ থেকে তাঁর মাথা উঠিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন তখনও অনুরূপ করতেন।”[বুখারী, তাহকীক জুজুউল রাফউল ইয়াদাইন , হাদীস নং ৪৭ , পৃঃ ৫৯ , তাওহীদ প্রকাশনী। শাইখ জুবাইর আলী যাঈ বলেছেন , হাদীসটি সহীহ । আবূ যুবায়র তাদলীসের কারনে হাদীসটি দূর্বল হলেও এর অনেকগুলি শাহেদ হাদীস থাকার কারনে সহীহ বলে স্বীকৃত)br />..br />চতুর্থ কথা:br />দেওবন্দী হানাফীদের নিকট যদি রফউল ইয়াদাইন করা সালাতে খুশু খুজুর অন্তরায় হয়, তাহলে বলবো আপনারাও তাহলে প্রথম তাকবীর, দুআয় কুনুতের আগে, ঈদের সালাতে রফউল করা ছেড়ে দিন, কারন সেখানে রফউল ইয়াদাইন করলেও তো আপনাদের কথায় তা খুশু খুজুর বিপরীত হয়।br />..